সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

হামাসকে সুড়ঙ্গে ডুবিয়ে মারতে চায় ইসরায়েল?

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
অবরুদ্ধ গাজা শহরের আল শিফা হাসপাতালের কম্পাউন্ডে একটি টানেল খোলার কাজ করছে ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: রয়টার্স
অবরুদ্ধ গাজা শহরের আল শিফা হাসপাতালের কম্পাউন্ডে একটি টানেল খোলার কাজ করছে ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: রয়টার্স
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নিচে ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের ব্যবহৃত টানেল প্লাবিত করতে একটি বড় পাম্প সিস্টেম বসিয়েছে ইসরায়েল। হামাস যোদ্ধাদের সুড়ঙ্গ থেকে তাড়ানোর জন্যেই এমন ব্যবস্থা করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে সোমবার (৪ ডিসেম্বর) ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এই খবর জানিয়েছে।
নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে আল-শাতি শরণার্থী শিবিরের প্রায় এক মাইল উত্তরে কমপক্ষে পাঁচটি পাম্প স্থাপনের কাজ সম্পন্ন করেছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। যেগুলো ঘণ্টায় হাজার হাজার ঘনমিটার পানি সরাতে এবং কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সুড়ঙ্গগুলো প্লাবিত করতে সক্ষম।
প্রতিবেদন অনুসারে, হামাসের হাতে থাকা ইসরায়েলের সব জিম্মি মুক্তি পাওয়ার আগেই ইসরায়েল পাম্পগুলো ব্যবহার করার কথা ভাবছে কি—না তা পরিষ্কার নয়।
এর আগে হামাস জানিয়েছিল, জিম্মিদের তারা ‘নিরাপদ স্থান ও সুড়ঙ্গে’ লুকিয়ে রেখেছে।
সোমবার প্রকাশিত এই প্রতিবেদনটি বিস্তারিত যাচাই করতে পারেনি রয়টার্স।
এ সম্পর্কে জানতে চাইলে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, সুড়ঙ্গগুলোকে অকার্যকর করতে ইসরায়েলের যে প্রচেষ্টা তা বাস্তবসম্মত। সেটি বাস্তবায়ন করতে বিভিন্ন উপায় অনুসন্ধান করছে দেশটি।
এ বিষয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে মন্তব্য করার অনুরোধ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও জবাব পাওয়া যায়নি।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এর এক কর্মকর্তা সুড়ঙ্গ প্লাবিত করার পরিকল্পনার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকার করেছেন। তবে তার বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল লিখেছে, ‘আইডিএফ বিভিন্ন সামরিক ও প্রযুক্তিগত সরঞ্জাম ব্যবহার করে বিভিন্ন উপায়ে হামাসের সন্ত্রাসী ক্ষমতাকে ধ্বংস করার জন্য কাজ করছে।’
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল আরও জানিয়েছে, গত মাসে ইসরায়েল প্রথম যুক্তরাষ্ট্রকে বিকল্প এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার কতটা মরিয়া ছিল সে বিষয়ে কর্মকর্তারা কিছুই জানেন না।
কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এ পরিকল্পনা ধরে এগিয়ে যাওয়ার কিংবা বাতিল করার চূড়ান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি ইসরায়েল।

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন