শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

যশোরে তাপমাত্রা ৯.৮ ডিগ্রি, বন্ধ হয়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

যশোর প্রতিনিধি:

শীতে কাঁপছে যশোর। মৃদু শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত করে তুলেছে জনজীবন। সোমবার (২২ জানুয়ারি) যশোর জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে নামলেও যশোরের কোনও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের খবর পাওয়া যায়নি।
জেলা শিক্ষা অফিস জানিয়েছে, তারা এখন পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি।
যশোর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ০৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দুপুরের পর এক থেকে দুই ঘণ্টার জন্য একটু হলেও সূর্যের দেখা মিলতে পারে। বাতাসের আর্দ্রতা রয়েছে ৯৫ শতাংশ।
সোমবার সকালে যশোর জেলা স্কুল, কালেক্টরেট স্কুল, যশোর ইনস্টিটিউট স্কুলসহ বেশ কয়েকটি স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, সেখানকার প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলো খোলা রয়েছে।
উপজেলা পর্যায়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেখানেও এখন পর্যন্ত কোনও স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়নি। সকাল থেকে তীব্র শীত উপেক্ষা করে শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা।
গালিব হাসান নামে এক অভিভাবক বলেন, হাড় কাঁপানো শীত, তবুও স্কুল খোলা। সকালে বাচ্চাকে স্কুলে দিয়ে গিয়েছিলাম এখন নিয়ে যাচ্ছি। স্কুল খোলা থাকলে, ক্লাস মিস দিলে সমস্যা। এমন ঠাণ্ডায় বন্ধ করা উচিত, না হলে খুব কষ্টসাধ্য হয়ে যাচ্ছে বাচ্চাদের জন্য।
যশোর জেলা স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক নুরানি বেগম বলেন, শীতের মধ্যে রিকশায় করে বাচ্চাকে স্কুলে নিয়ে আসছি। হাত-পা কালো হয়ে যাচ্ছে। তবুও তো কিছু করার নেই, যেহেতু স্কুল খোলা।
জানতে চাইলে যশোর কালেক্টরেট স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মোদাচ্ছের আলী বলেন, শিক্ষা অফিস থেকে কোনও নির্দেশনা পাইনি। স্কুল খোলা রয়েছে।
যশোর জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মাহফুজুল হোসেন বলেন, সকালে তাপমাত্রা ১০-এর নিচে নেমেছিল বলে আমরা জানতে পেরেছি। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানিয়েছি। যেহেতু তাপমাত্রা ওঠানামা করে সেহেতু এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে ১০ এর নিচে নামলে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমরা এডিসি শিক্ষা মহোদয়ের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।
এদিকে সকাল থেকে যশোর শহরের সড়কগুলোতে মানুষের উপস্থিতি অনেকটাই কম দেখা গেছে। শীতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন