শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

ভূঞাপুরে চাঞ্চল্যকর রাজন হত্যা মামলার  হাইকোর্টের রায় সোমবার 

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print
মাসুদুল হাসান মাসুদ, ভূঞাপুর টাংগাইল প্রতিনিধি:
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরের গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামের চাঞ্চল্যকর রাজন হত্যা মামলার উচ্চ আদালতে ১২ আসামীর রায় ২৭ নভেম্বর সোমবার হাইকোর্ট ডিভিশন দ্বৈত বেঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে।
২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল বাড়ি দখল কে কেন্দ্র করে  পাশের বাড়ীর লোকজন আক্রমন করে খুন করে কলেজ পড়ুয়া বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে রবিউল ইসলাম রাজনকে। ১৪ এপ্রিল বাবা লাল মিয়া বাদী হয়ে ভূঞাপুর থানায় ১৯ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। মামলাটি অধিকতর তদন্ত করে তৎকালিন ভূঞাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবু ওবায়েদ। তদন্ত শেষে ৭ জনকে বাদ দিয়ে ১২ জনের নামে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রকাশ্য দিবালোকে এঘটনায় ৯ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করে। ২০১৭ সালের ১২ জুলাই সকল বিষয়ে যুক্তিতর্ক শেষে ঐ বছর ৮ আগষ্ট মঙ্গলবার রায়ের দিন ধার্য করা হয়। আদালতে হাজির হওয়া ৮ আসামীর জামিন না মঞ্জুর করে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। ৮ আগষ্ট পলাতক৪ জনের অনুপস্থিতিতেই হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অপরাধে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ ওয়াহিদুজ্জামান সিকদার ১২ জনকে মৃত্যু দন্ড দেন। মৃত্যু দন্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলো ১) সাইদুল ২) মজিদ ৩) মজিদ (২) ৪) মজনু ৫) মোমিন ৬) নিজাম ৭) আবুবকর ছিদ্দিক টুনু ৮) হানু ৯) নূরুল ইসলাম ১০) বাবু ১১) সিরাজ ১২) ওয়াহাব। এদের সকলের বাড়ি উপজেলার ভালকুটিয়া গ্রামে। এদের মধ্যে ৯ জন  কারাগারে, ২জন পলাতক ও ১জন কারাগারেই মৃত্যু বরণ করেছে। মামলা পরিচালনায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবি ছিলেন এডভোকেট মুলতান হোসেন ও বাদী পক্ষের আইনজীবি এডভোকেট নাজিম উদ্দিন। ৩ বছর চার মাস পর মামলার রায়ে বাদী বাবা লাল মিয়া ও মা শাহিদা খুশি হয়ে বিচারককে ধন্যবাদ জানান এবং দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবী জানায়।
আসামী পক্ষ ন্যায় বিচার চেয়ে উচ্চ আদালতে আপিল করলে, হাই কোর্ট ডিভিশনের এন এস কোর্ট-৩৪ দ্বৈত
বেঞ্চের বিচারপতি এস এম ইমদাদুল হক ও শশাংক শেখর সরকার গত ৫ নভেম্বর শুনানী শুরু করে আগামী ২৭ নভেম্বর সোমবার রায়ের দিন ধার্য করে। এতে সরকার পক্ষের আইনজীবি ডি আই জি হারুন অর রশিদ ও আসামী পক্ষের আইনজীবি জিয়াউর রহমান ও ফজলুল হক যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে।
রাজনের মা শাহিদা বেগম জানান, আমার একমাত্র ছেলে হত্যাকারীদের ফাঁসির রায় উচ্চ আদালতেও বহাল থাকবে বলে আশা করি।
Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন