সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে আলোচনা

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

নিজস্ব প্রতিনিধি:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্ভাব্য চীন সফর নিয়ে আলোচনা করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ওয়াও ইয়েন। রবিবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বেশ কয়েক দফা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে চীন। সেটির বিষয় তারা আবার আমাদের জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সুবিধা অনুযায়ী এটি কখন করা যেতে পারে তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, এর আগে ২০১৯ সালে চীন সফর করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া গত বছর দক্ষিণ আফ্রিকায় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের সাইডলাইনে চীনের রাষ্ট্রপতি শি জিনপিং ও শেখ হাসিনার মধ্যে বৈঠক হয়।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন
রাখাইনে চলমান সংঘাত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ক্ষেত্রে বিরূপ পরিবেশ তৈরি করছে। বাংলাদেশ আশা করে পরিবেশ সবসময় খারাপ থাকবে না এবং সহসাই প্রত্যাবাসন শুরু করা সম্ভব হবে। রাখাইনের পরিবেশ কখনোই ভালো ছিল না জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৭ সালে যখন তারা বাংলাদেশে আসে, তখনও কিন্তু পরিস্থিতি ভালো ছিল না।’
রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য বোঝা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিকতার কারণে সীমান্ত খুলে দিয়েছিলেন ২০১৭ সালে। কিন্তু রোহিঙ্গারা এখন কক্সবাজারের যে জায়গায় রয়েছে সেখানে স্থানীয়রা সংখ্যালঘু হয়ে গেছে। রোহিঙ্গাদের কারণে আমাদের নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিরাপত্তা, মাদক চোরাচালান, পরিবেশগত সমস্যা এবং আরও অনেক কিছু, বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য আমরা চীনের সহযোগিতা কামনা করেছি। চীনের সরকারও মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের প্রক্রিয়ায় আছে বলে রাষ্ট্রদূত আমাকে জানিয়েছেন।
বাণিজ্য
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি আছে। বাংলাদেশ বেশি আমদানি করে এবং কম রফতানি করে। এ কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিষয়টি আমি গুরুত্ব সহকারে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
চীন পাট, চামড়া, মাংস, সামুদ্রিক মাছ ও মিঠাপানির মাছ আরও বেশি আমদানি করতে চায় এবং বাংলাদেশ থেকে আম আমদানি করতে চায় বলে তিনি জানান।
চীনে শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটিকে দ্রুত অগ্রগতি করার জন্য আমরা আলোচনা চালিয়ে যাবো, যাতে চীনে আমাদের পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার আমরা পাই এবং তারাও এটি নিয়ে কাজ করছে বলে আমাকে জানিয়েছে।’

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন