শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

তামিম-সাকিববিহীন জয়কে যেভাবে দেখেন হাবিবুল বাশার

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

ক্রীড়া ডেস্ক:

সবার মতো তিনিও মনে করেন, যেকোনো জয়ই মনে রাখার মতো। আর যেহেতু নিউজিল্যান্ডের মাটিতে এর আগে সাদা বলের জয় ছিল না, তাই এটা একটি দারুণ সাফল্য। সে দৃষ্টিকোণ থেকে চিন্তা করলে ২৩ ডিসেম্বর নেপিয়ারে টাইগারদের ৯ উইকেটের জয়টি এক ঐতিহাসিক সাফল্য। বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক হাবিবুল বাশারের ভাষায়, এক দারুণ জয়।
ব্যবধানের বিশালতাই শুধু নয়, এ জয়ের অনেকগুলো বৈশিষ্ট দেখে খুব খুশি হাবিবুল বাশার। জাতীয় দলের এই নির্বাচক জাগো নিউজকে প্রতিক্রিয়ায় জানান, ‘নিউজিল্যান্ড সব সময়ই টাফ কন্ডিশন। নিউজিল্যান্ডের খোলা এলাকার মাঠ, আবহাওয়া ও উইকেট সবসময় উপমহাদেশের দলগুলোর জন্য প্রতিকূল। যে কারণে শুধু আমরাই নই, উপমহাদেশের অন্য দলগুলোও নিউজিল্যান্ডে গিয়ে তেমন সুবিধা করতে পারে না। আর আমরা আগে কখনো সাদা বলে জিততেই পারিনি। এবার জিতলাম। সেটা অবশ্যই এক অবিস্মরণীয় সাফল্য।’
হাবিবুল বাশারের অনুভব করেন, অনেক কারণেই আমাদের এ জয় দরকার ছিল।
এর আগে গত বছর জানুয়ারিতে মাউন্ট মুঙ্গানুইয়ে বাংলাদেশ যখন নিউজিল্যান্ডকে প্রথম টেস্টে হারায় (৮ উইকেটে) তখনো দলে ছিলেন না দুই সিনিয়র ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার তামিম ইকবাল আর সাকিব আল হাসান। দুজন অতি নির্ভরযোগ্য ও অন্যতম চালিকাশক্তি ছাড়া ২ বছরের ব্যবধানে লাল ও সাদা বলে একজোড়া ঐতিহাসিক সাফল্য; কী বার্তা বহন করে? এটি কিভাবে দেখছেন?
সিনিয়র ও সুপারস্টারদের ছাড়াও ম্যাচ জেতার অভ্যাস ও সামর্থ তৈরি হচ্ছে? নাকি তরুণরা দিনকে দিন মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখছেন? এমন প্রশ্নে হাবিবুল বাশারের জবাব- ‘না, না। আমি ব্যাপারটাকে অন্যভাবে দেখছি। আমি দেখছি তরুণদের মানসিকতার পরিবর্তন।’
বাশারের ব্যাখ্যা, বলার অপেক্ষা রাখে না; যাদের কথা বলা হলো, তাদের ২ জনের ওপর আমরা অনেক অনেক নির্ভরশীল। তারা আমাদের কি প্লেয়ার (মূল ক্রিকেটার)। সিনিয়র ও এক্সপেরিয়েন্স মোস্ট। নিয়মিত পারফর্মও করে আসছে সবসময়। মূল ভুমিকা রাখে। কাজেই তাদের ওপর আমরা অনেকটাই নির্ভরশীল।
বাংলাদেশ দলের নির্বাচক আরও বলেন, ‘কিন্তু আসল সত্য হলো সাকিব ও তামিম সবসময় থাকবে না। তারা ছাড়াও আমাদের জিততে হবে। তরুণদের মাথায় সেই চিন্তাটা এসেছে। কেউ না থাকলে কোনো অজুহাত না দাঁড় করিয়ে জেতার চিন্তা মাথায় ঢুকেছে। কাউকে মিস করলেও এখন আর কোনো অজুহাত আসছে না। কেউ অজুহাত দাঁড় করাচ্ছে না। সবার মাঝে জেতার তাগিদ বেড়েছে। তারাই চেষ্টা করছে। জেতার ক্ষুধাটা ভালোই আছে। এই মানসিকতার এই পরিবর্তনটা আমাকে আকৃষ্ট করেছে।’

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন