শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

তাইওয়ান প্রণালীর আকাশে আরও ছয়টি চীনা বেলুন শনাক্ত

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

তাইওয়ান প্রণালীর ওপর দিয়ে রবিবার (২১ জানুয়ারি) আরও ছয়টি চীনা বেলুনকে উড়ে যেতে দেখেছে তাইওয়ান। সোমবার এমন দাবি করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের দাবি, তাইওয়ান প্রণালীর ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া বেলুনগুলোর একটি দেশটির একটি দ্বীপ অতিক্রম করেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
গত দেড় মাস ধরে তাইওয়ানের আকাশে এই ধরণের চীনা বেলুন শণাক্ত করে আসছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এসব ঘটনার মধ্যে সর্বশেষ বেলুন উড়ে যাওয়ার ঘটনা এটি।
সোমবার তাইপে মন্ত্রণালয়ের একটি দৈনিক প্রতিবেদনে গত ২৪ ঘন্টায় চীনা সামরিক কর্মকান্ডের ওপর নজরদারি বিষয়টি আলোকপাত করা হয়েছে। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, রবিবার ছয়টি বেলুন তাইওয়ান প্রণালীর সংবেদনশীল মধ্যরেখার ওপর দিয়ে উড়ে গেছে।
মন্ত্রণালয়ের দেওয়া একটি মানচিত্র অনুসারে, শুধু একটি বেলুন তাইওয়ান দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্ত অতিক্রম করেছে। আর অন্য পাঁচটি বেলুন তাইওয়ানের উত্তরে উড়েছিল সমুদ্রের ওপর দিয়ে উড়েছি।
মন্ত্রণালয়টি আরও জানিয়েছে, অদৃশ্য হওয়ার আগে বেলুনগুলো উড়ে পূর্ব দিকে চলে যায়।
চলতি মাসের শুরুতে একটি বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি চীনকে বেলুন উড়ানোর মাধ্যমে দ্বীপের বিমান চলাচলের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলার এবং বাসিন্দাদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালানোর জন্য অভিযুক্ত করেছিল। তাইওয়ানের নির্বাচনের কয়েকদিন আগেই ওই বিবৃতি প্রকাশ করা হয়।
গত মাসে বেলুন সম্পর্কে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। তখন তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধ করা হলে সাড়া দেয়নি দেশটি।
তাইপেই সরকারের ঘোর বিরোধিতা সত্ত্বেও তাইওয়ানকে তার নিজ ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।
গুপ্তচরবৃত্তির জন্য চীনের বেলুন ব্যবহার করার সম্ভাবনা গত ফেব্রুয়ারিতে একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে ওঠে। তখন যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল, ওই বেলুনটি একটি চীনা নজরদারি বেলুন ছিল। তবে চীন সাফ জানিয়েছিল, বেলুনটি একটি বেসামরিক কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। এটি দুর্ঘটনাক্রমে পথ থেকে সরে অন্যদিকে উড়ে গিয়েছিল।

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন