শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
শুক্রবার, ১৭ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২০শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ১লা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

চীনের সঙ্গে পাল্লা দিতে সংস্কারের পথে মার্কিন বিমানবাহিনী

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চীনের সামরিক কাঠামোর সঙ্গে পাল্লা দিতে মার্কিন বিমানবাহিনীকে চাপ দিচ্ছে পেন্টাগন। ফলে এবার বাহিনীটি বড় ধরনের কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে। বিমানবাহিনীর সংস্কার পরিকল্পনা সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছয় কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে বাহিনীটি ঘোষণা করবে যে, নিজেদের তিন ও চার তারকা বিশিষ্ট কমান্ডকে একীভূত এবং যুদ্ধ বিমান ও বোমারু বিমানকে একটি ইউনিটে একত্রিত করবে। আর এ জন্য প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা ও বাজেট বাড়াচ্ছে তারা। মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকোর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
কর্মকর্তারা বলছেন, বাহিনীর লক্ষ্য এর ধীরগতির আমলাতন্ত্রে গতি ফিরিয়ে আনা বা আমলাতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় নতুন মনোযোগ স্থাপন। বিমানবাহিনীকে ঢেলে সাজানোর এ সংস্কারের মধ্যে রয়েছে, কীভাবে তারা কাজ করবে সেই পরিকল্পনা পুনর্গঠন করা, নতুন উড়োজাহাজের বাজেট ও নকশা তৈরি করা। এতে প্রতিরক্ষা খাতে বাজেট কিছুটা বাড়বে বা সমান থাকবে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এসব পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছেন বিমানবাহিনী বিষয়ক মন্ত্রী ফ্রাঙ্ক কেন্ডাল। পলিটিকোর সঙ্গে কথা বলা সংশ্লিষ্ট ছয়জনের মধ্যে একজন মহাকাশ কর্মকর্তা, তিনজন কংগ্রেস সহযোগী এবং দুজন বিমানবাহিনীর উপদেষ্টা রয়েছেন। যদিও এখনও বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়নি, তবে প্রকল্পটি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানানো হয়েছে।
অবশ্য আশা করা হচ্ছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, কলোরাডোতে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন ওয়ারফেয়ার সিম্পোজিয়ামে বিমানবাহিনী তাদের পরিকল্পনাটি ঘোষণা করবে।
গত বছর আগস্টে মার্কিন বিমানবাহিনীকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিল চীনা বিমানবাহিনী। তখনই কেন্ডাল বলেছিলেন, চীনের সামরিক আধুনিকায়ন ধারণার চাইতেও দ্রুত গতিতে হচ্ছে। তাই আরও অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন করে যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে থাকতে হবে, যা চীনকে ভয় দেখাবে।
এরপর গত সেপ্টেম্বরে এএফএ’র বার্ষিক সম্মেলনে কেন্ডাল বিমানবাহিনীর পুনর্গঠন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, জানুয়ারির মধ্যেই পরিকল্পনাটি তৈরি করতে হবে।
স্পেস সিস্টেম কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাইকেল গুয়েটলিন গত ১৩ ডিসেম্বর একটি সম্মেলনের বক্তৃতার সময়ও কিছু পরিবর্তনের কথা বলেছিলেন। কেন্ডালের পরিকল্পনার আওতায় বিমান বাহিনী বিভাগকে ঢেলে সাজানোর কথা তিনিও বলেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি চাই পুরো কমান্ড হুমকি মোকাবিলায় মনোনিবেশ করবে। আর এ জন্য প্রয়োজন অভূতপূর্ব স্তরের একীকরণ ও নেটওয়ার্কিং।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেন্ডালের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সময় লাগবে। পরিকল্পনা প্রস্তাব কংগ্রেসে পাস ও কার্যকর হতেও সময়ের প্রয়োজন।

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন