সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ, বসন্তকাল | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
সোমবার, ২০শে ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ | ২৩শে শাবান, ১৪৪৫ হিজরি | ৪ঠা মার্চ, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

আবার আসছে ভয়াবহ ‘মিগজাউম’

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

ফিরোজ আলম:

চলতি মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের উপকূল আঘাত হানতে পারে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ‘মিগজাউম’। মিধিলির প্রভাব কাটতে না- কাটতেই আঘাত হানতে যাচ্ছে ভয়াবহ এ ঘূর্ণি ঝড়টি।
ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হতে যাচ্ছে আরেকটি ঘূর্ণিঝড়, এর নাম ‘মিগজাউম’। এর কবলে পড়তে পারে বাংলাদেশ, ভারত এবং মিয়ানমারের উপকূল।
আবহাওয়াবিদ সৌরিশ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, আগামী রোববার দক্ষিণ আন্দামান সাগরের কাছে একটি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে; যা পশ্চিমবং থেকে অনেকটা দূরে অবস্থিত। সেই সম্ভাব্য নিম্নচাপ আরও শক্তি বাড়িয়ে সোমবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপর গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুসারে ২৭ নভেম্বর থাইল্যান্ড উপসাগর থেকে বঙ্গোপসাগরে একটি শক্তিশালী ঘূর্ণাবর্ত প্রবেশ করবে। ক্রমশ উত্তর পশ্চিমদিকে এগিয়ে শক্তি সঞ্চয় করবে সেটি। শক্তি বাড়িয়ে ২৯ নভেম্বর ঘূর্ণাবর্তটি পরিণত হতে পারে ঘূর্ণিঝড়ে। আগামী ৫ ই ডিসেম্বর ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত আনতে পারে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকুলে ।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার সাইক্লোন সংক্রান্ত আঞ্চলিক সংস্থা এসকাপ- আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণি ঝড়ের নাম দিয়ে থাকে। এ অঞ্চলের ১৩টি দেশের দেওয়া নামের তালিকা থেকে পর্যায় ক্রমে নতুন ঘূর্ণি ঝড়ের নাম ঠিক করা হয়। বঙ্গোসাগরে চতুর্থ এ সাইক্লোনের জন্ম হলে সেটির নাম হবে মিচাহং। তবে উচ্চারণ করতে হবে মিগজাউম। মিয়ানমার এই নাম প্রস্তাব করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ নভেম্বর বঙ্গোপসাগর উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণি ঝড় মিধিলি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের প্রাথমিক হিসাবে ঘূর্ণি ঝড়টি দেশের ১৩টি জেলায় সবচেয়ে বেশি প্রভাব রেখে গেছে। এর মধ্যে খুলনা, পটুয়াখালী, বরগুনা ও বরিশাল জেলা সহ বৃহত্তর দক্ষিণ অঞ্চলের সম্পদের ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

Facebook
LinkedIn
Twitter
WhatsApp
Telegram
Email
Print

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন দিন